Facebook Twitter Pinterest Linkedin Reddit Tumblr Mix Wix Wordpress
সাত রং চা শাপলা বিল চা কন্যা কক্সবাজার মাধবপুর শুটকি মহাল
Facebook Twitter Pinterest Linkedin Reddit Tumblr Mix Wix Wordpress
দরিয়ানগর গুহা, ঝর্না ও পাহাড় || কলাতলী পিকনিক স্পট || কক্সবাজার ভ্রমণ
Doria Nagar Cave, Waterfall and Hill || Kolatoli Picnic Spot || Travel to Cox's Bazar
গুহা,পাহাড়, ঝর্না, সমুদ্র আর মেরিন ড্রাইভ রোড এর অপরূপ দৃশ্য বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের নিকটবর্তী দরিয়ানগর পর্যটন কেন্দ্রের। এটি কলাতলী পিকনিক স্পট নামেও পরিচিত। কক্সবাজার শহর থেকে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ধরে টেকনাফ এর দিকে মাত্র চার কিলোমিটার এবং কক্সবাজারের ডলফিন মোড় থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দুরত্বে দরিয়ানগর পর্যটন কেন্দ্র। কক্সবাজারের এত কাছের এই পর্যটন কেন্দ্রটিতে আপনি একসাথে দেখতে পাবেন গুহা, পাহাড়, ঝর্না ও সমুদ্রের অপার সৌন্দর্য্য। কক্সবাজারের বড়ছড়া স্থানে পাঁচটি পাহাড়ের সমন্বয়ে উঁচু-নিচু ৩৭ একরের বিশাল এলাকা নিয়ে গড়ে উঠা দরিয়ানগর বিনোদন কেন্দ্র। দরিয়ানগর পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ করার পথটিও বেশ অভিনব, এখানে প্রবেশ করতে হয় বিশাল আকৃতির এক নীল তিমির মুখ এর মধ্য দিয়ে। প্রবেশ করলে প্রথমেই চোখে পরবে একটি বাচ্চাদের জন্য তৈরি করা খেলার পার্ক এখানে বাচ্চাদের জন্য দোলায়মান নৌকা, দোলনা, স্লাইড আছে।আর আছে চমৎকার কিছু ভাস্কর্য।কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সুন্দর মনোরম পরিবেশে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে একটু নিরবিলিতে সমুদ্র দেখতে চাইলে দরিয়ানগর সমুদ্র সৈকত হতে পারে আদর্শ জায়গা। দরিয়ানগরে উঁচু পাহাড়ের নিচ দিয়ে আঁকাবাঁকা একটি সুড়ঙ্গ পথ আছে, যা দরিয়ানগর গুহা নামে পরিচিত, আরও আছে ছোট কিছু ঝিরি ঝর্ণা। এই ঝর্নার পাশেই রয়েছে একটি উচু পাহাড় যা ওয়াচ টাওয়ার নামে পরিচিত। এই পহাড়ের চুড়ায় দাড়িয়ে আপনি দেখতে পাবেন দরিয়ানগর বীচ এর সূর্যাস্ত এছাড়াও চোখে পরবে প্যারাসেইলিং এর প্যারাসুট গুলো বর্তমানে দরিয়া নগরে সবচেয়ে বড় আকর্ষন প্যারাসেইলিং। কক্সবাজার বেড়াতে আসা পর্যটকদের আনন্দ আরো বাড়িয়ে দিতে শুধুমাত্র দরিয়ানগর সৈকতেই রয়েছে প্যারাসেইলিং করার ব্যবস্থা।
Facebook Twitter Pinterest Linkedin Reddit Tumblr Mix Wix Wordpress
কক্সবাজার কলাতলী থেকে হিমছড়ি সমুদ্র সৈকত পায়ে হেঁটে ভ্রমণ
Travel from Kolatoli in Cox's Bazar to Himchhari Beach on Foot
কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত এর সৌন্দর্য নতুন করে কিছু বলার নেই।এই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এর দৈর্ঘ ১৫০ কিলোমিটার বা ৯৩ মাইল (তথ্য সূত্রঃ উইকিপিডিয়া) । আমরা পর্যটকরা এই ১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতের ক্ষুদ্র একটি অংশ যা কলাতলী সী বীচ, সুগন্ধা বিচ পয়েন্ট, লাবনী বিচ পয়েন্ট সহ কয়েকটি স্থান কেই বুঝি অথচ এই সুদীর্ঘ সৈকতের পরতে পরতে ছড়িয়ে রয়েছে অসীম রূপের ভাণ্ডার। তাই এই সমুদ্র সৈকত এর রুপ দেখতে আজ আমরা পায়ে হেঁটে ভ্রমণ করব কলাতলী সমুদ্র সৈকত থেকে ইনানী সমুদ্র সৈকত পর্যন্ত।
Facebook Twitter Pinterest Linkedin Reddit Tumblr Mix Wix Wordpress
যারা পাহাড় ভালবাসেন তাদের জন্য কক্সবাজারের খুব কাছেই রয়েছে এই পাহাড় এর স্বর্গরাজ্য পেঁচার দ্বীপ। এই স্থানটিতে খুব বেশী জনসমাগম বা দোকান প্রসার না থাকায় ভ্রমণ পিপাসুদের নিকট খুব উপভোগ্য একটি স্থান। কক্সবাজার থেকে এত অল্প সময়ে এই দৃষ্টিনন্দন পাহাড়ী পর্যটন এলাকা সত্যিই খুব চমৎকার।কক্সবাজার সদর উপজেলা থেকে পেঁচার দ্বীপ এর দুরত্ব মাত্র ১৮ কিলোমিটার, রেজুখাল ব্রীজ থেকে এর দুরত্ব ১ কিলোমিটার, ডলফিন মোড় থেকে পেঁচার দ্বীপ এর দুরত্ব ১৬ কিলোমিটার এবং হিমছড়ি থেকে পেঁচার দ্বীপ এর দুরত্ব ৮ কিলোমিটার। কক্সবাজার থেকে পেঁচার দ্বীপ যেতে হবে মেরিন ড্রাইভ হয়ে তাই পেঁচার দ্বীপ যেতে বোনাস হিসেবে পেয়ে যাবেন মেরিন ড্রাইভ এর আকর্ষন। কক্সবাজার থেকে পেঁচার দ্বীপ যেতে আরও যে সকল স্থান দেখতে পাবেন তা হল দড়িয়ানগর গুহা, দড়িয়ানগর প্যারাসেইলিং, হিমছড়ি পাহাড় ঝর্না এবং হিমছড়ি সমুদ্র সৈকত, রেজুখাল এবং রেজুখাল ব্রীজ।
কিভাবে যাবেনঃ কক্সবাজার এর ডলফিন মোড় থেকে লোকাল সিনজি এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা পাওয়া যায় রেজুখাল ব্রীজ পর্যন্ত ভাড়া ৪০ টাকা এছাড়া রিজার্ভ সিনজি এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা নিয়ে যেতে পারেন এই পেঁচার দ্বীপ তাছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ি মটরসাইকেল সহ সকল ধরনের যানবাহনে যাওয়া যায় এই পেঁচার দ্বীপ।
কোথায় খাবেনঃ পেঁচার দ্বীপ খাবারের ভাল কোন ব্যবস্থা নেই তাই এর কাছাকাছি মেরিন ড্রাইভ রোডে বেশ কিছু ভালমানের খাবার হোটেল পেয়ে যাবেন তাছাড়া কক্সবাজার খুব বেশী দুরে না হওয়ায় কক্সবাজারে খেতে পারেন।
কোথায় থাকবেনঃ পেঁচার দ্বীপ থাকার কোন ব্যবস্থা নেই তবে মেরিন ড্র্রাইভ রোডে রয়েছে বেশ কিছু ভাল হোটেল তাছাড়া কক্সবাজার তো আছেই।
Facebook Twitter Pinterest Linkedin Reddit Tumblr Mix Wix Wordpress
কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র আট কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত এই চৌফলদন্ডী সড়কটি। কক্সবাজার থেকে এখানে আসতে পারবেন সিএনজিম বাস বা রিক্সাযোগে সময় লাগ...